বাবা-মায়ের দ্বন্দ্ব সন্তানের মস্তিষ্কে 'বিষাক্ত চাপ' তৈরি করে। কুরআন ও বিজ্ঞানের আলোকে এর সমাধান।
ঝগড়া কেবল স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে থাকে না, তা সন্তানকে ধ্বংস করে
কর্টিসলের (Stress Hormone) মাত্রা বেড়ে যায়। মস্তিষ্কের 'হিপোক্যাম্পাস' ক্ষতিগ্রস্ত হয়, ফলে স্মৃতিশক্তি ও শেখার ক্ষমতা কমে।
শিশুর মনে হয় তার পৃথিবী নড়বড়ে হয়ে গেছে। তারা সবসময় 'ফাইট অর ফ্লাইট' মোডে থাকে।
পিতা-মাতার পাপাচার ও ঝগড়ার প্রভাব সন্তানের অন্তরে পড়ে। ঘর থেকে 'বরকত' উঠে যায়।
শিশুরা শেখে যে ভালোবাসা মানেই সংঘাত। তারা ভবিষ্যতে কাউকে বিশ্বাস করতে পারে না।
আপনার সন্তান কীভাবে সাহায্য চাইছে?
বিছানায় প্রস্রাব করা, আঙুল চোষা বা কথা বলা কমিয়ে দেওয়া।
"আমি দুষ্টুমি করেছি বলেই বাবা-মা ঝগড়া করছে"—এমন ভাবনা এবং স্কুলে অমনোযোগিতা।
অবাধ্যতা, মাদকাসক্তি বা বাইরের জগতে শান্তি খোঁজা। ঘরের অশান্তি থেকে বাঁচতে নিজেকে গুটিয়ে নেওয়া।
কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে সমাধান
প্রকৃত বীর সে-ই যে রাগের সময় নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করে। ওজু করা ও স্থান ত্যাগ করা সুন্নাহ।
আল্লাহ যখন কোনো পরিবারের কল্যাণ চান, তখন তাদের মধ্যে নম্রতা দান করেন।
সবকিছু না দেখে এড়িয়ে যাওয়া। উত্তম চরিত্রের ১০ ভাগের ৯ ভাগই হলো তাগাফুল।
সম্পর্ক মেরামতের আধুনিক কৌশল
ঝগড়া বা রাগের পর পুনরায় সম্পর্ক স্বাভাবিক করা।
সন্তানকে বলুন:
"বাবা/মা, কিছুক্ষণ আগে আমি খুব রেগে গিয়েছিলাম এবং চিৎকার করেছিলাম। এটা ঠিক হয়নি। আমি দুঃখিত। আমি চেষ্টা করব ভবিষ্যতে এমন না করতে।"
এটি সন্তানের নিরাপত্তা বোধ ও 'তাওবা'র শিক্ষা দেয়।